লক্ষ্মীপুরের রায়পুর সুপারি চুরি করতে গিয়ে বাবা ছেলেকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে গ্রামবাসী। রোববার (৩০ নভেম্বর) ভোররাতে উপজেলার বামনী ইউপির ৩ নাম্বার ওয়ার্ডের সাগর্দি গ্রামের নুরুল হক মুন্সি বাড়ির সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। বিকালে বাবা ও ছেলেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আটক দুইজন হলেন বামনী ইউপির সাগর্দি গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে আবদুল মতিন (৪৫) ও তার ছেলে জিহাদ হোসেন (২৮)।
গ্রামবাসী জানায়, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বাড়ির গাছ থেকে সুপারি চুরি হয়ে আসছিল। ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম রাতে ঘুমানোর আগে তার ঘরের ছাদে সুপারি শুকাতে রেখেছিলেন। ভোররাতে শব্দ পেয়ে তার মা চোর সন্দেহে নুরুল ইসলামকে ডাকেন। এ সময় নুরুল ইসলাম বাইরে এসে চার বস্তা সুপারিসহ আবদুল মতিনকে হাতে নাতে আটক করেন। প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলীসহ স্থানীয়রা এগিয়ে এসে বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং তার ছেলে জিহাদকেও আটক করেছেন।
ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম বলেন, রাতে আমার মায়ের শব্দ শুনে ঘরের বাইরে এসে দেখি আবদুল মতিন আমাদের সুপারি চুরি করছে। পরে চার বস্তা সুপারিসহ তাদের আটক করি। গ্রামবাসী পিটুনি দিয়ে সুপারি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। পরে থানা পুলিশ এসে তাদেরকে উদ্ধার করে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।
প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করে বলেন, বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে গ্রামের আরও কয়েকজনের বাড়ি থেকেও সুপারি চুরির অভিযোগ রয়েছে। গ্রামে ধারাবাহিক চুরি বন্ধে পুলিশ প্রশাসন থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।
এ বিষয়ে চোর আবদুল মতিন বলেন, কোনো কাজ খুঁজে পাই না। তাই ছেলেকে নিয়ে সুপারি চুরি করতে এসে ধরা খেয়ে গেলাম। আর কখনো চুরি করব না। কাজ করেই চলব।
রায়পুর থানার ওসি নিজাম উদ্দীন ভূঁইয়া বলেন, সুপারি চুরি করতে গিয়ে মালিক ও গ্রামবাসীর হাতে আটক বাবা–ছেলেকে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে তাদেরকে চুরির মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
আটক দুইজন হলেন বামনী ইউপির সাগর্দি গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে আবদুল মতিন (৪৫) ও তার ছেলে জিহাদ হোসেন (২৮)।
গ্রামবাসী জানায়, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বাড়ির গাছ থেকে সুপারি চুরি হয়ে আসছিল। ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম রাতে ঘুমানোর আগে তার ঘরের ছাদে সুপারি শুকাতে রেখেছিলেন। ভোররাতে শব্দ পেয়ে তার মা চোর সন্দেহে নুরুল ইসলামকে ডাকেন। এ সময় নুরুল ইসলাম বাইরে এসে চার বস্তা সুপারিসহ আবদুল মতিনকে হাতে নাতে আটক করেন। প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলীসহ স্থানীয়রা এগিয়ে এসে বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং তার ছেলে জিহাদকেও আটক করেছেন।
ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম বলেন, রাতে আমার মায়ের শব্দ শুনে ঘরের বাইরে এসে দেখি আবদুল মতিন আমাদের সুপারি চুরি করছে। পরে চার বস্তা সুপারিসহ তাদের আটক করি। গ্রামবাসী পিটুনি দিয়ে সুপারি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। পরে থানা পুলিশ এসে তাদেরকে উদ্ধার করে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।
প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করে বলেন, বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে গ্রামের আরও কয়েকজনের বাড়ি থেকেও সুপারি চুরির অভিযোগ রয়েছে। গ্রামে ধারাবাহিক চুরি বন্ধে পুলিশ প্রশাসন থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।
এ বিষয়ে চোর আবদুল মতিন বলেন, কোনো কাজ খুঁজে পাই না। তাই ছেলেকে নিয়ে সুপারি চুরি করতে এসে ধরা খেয়ে গেলাম। আর কখনো চুরি করব না। কাজ করেই চলব।
রায়পুর থানার ওসি নিজাম উদ্দীন ভূঁইয়া বলেন, সুপারি চুরি করতে গিয়ে মালিক ও গ্রামবাসীর হাতে আটক বাবা–ছেলেকে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে তাদেরকে চুরির মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
অনলাইন ডেস্ক